• ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ০১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BJP Government

কলকাতা

আরজি কর কান্ডে বড় পদক্ষেপ! তিন আইপিএস সাসপেন্ড, ফের খুলছে তদন্তের ফাইল; মমতার ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের বহুল আলোচিত চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনকাণ্ডে নতুন করে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। শুক্রবার নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করলেন, ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা তিন আইপিএস অফিসারবিনীত গোয়েল, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং অভিষেক গুপ্ত-কে সাময়িক বরখাস্ত করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি-র ভূমিকা নিয়েও খতিয়ে দেখার ইঙ্গিত দিয়েছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী।নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্ব নেওয়ার পরই তিনি মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবের কাছে লিখিত রিপোর্ট তলব করেছিলেন। আরজি করের ঘটনার সময় পুলিশ প্রশাসন কীভাবে পরিস্থিতি সামলেছিল, কোথায় কোথায় গাফিলতি হয়েছে এবং কোন স্তরে তদন্ত প্রক্রিয়ায় ব্যত্যয় ঘটেছে, তার পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখার পরই এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, প্রাথমিক তদন্তেই উঠে এসেছে একাধিক গুরুতর ত্রুটির অভিযোগ। বিশেষ করে ঘটনার পর যথাসময়ে এফআইআর দায়ের, প্রমাণ সংগ্রহ এবং তদন্তের প্রাথমিক ধাপগুলি সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু তথ্যের উল্লেখ করে শুভেন্দু দাবি করেন, নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে সরকারি স্তরে আর্থিক সমঝোতার চেষ্টা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।২০২৪ সালের অগস্টে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড সামনে আসতেই সারা রাজ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়। চিকিৎসক সমাজের লাগাতার আন্দোলন, প্রতিবাদ মিছিল এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে জনরোষের মুখে তৎকালীন কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবিও জোরালো হয়। পরবর্তীতে তাঁকে কলকাতা পুলিশের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে এসটিএফ-এর এডিজি ও আইজিপি পদে বদলি করা হয়েছিল।একই সময়ে কলকাতা পুলিশের ডিসি (নর্থ) পদে ছিলেন অভিষেক গুপ্ত। তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ ওঠার পর তাকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। ডিসি (সেন্ট্রাল) পদে থাকা ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ও আরজি কর-পরবর্তী অস্থির পরিস্থিতিতে কলকাতা পুলিশের মুখপাত্র হিসেবে বারবার সংবাদমাধ্যমের সামনে এসেছিলেন। তাঁর ভূমিকাও এখন তদন্তের আওতায় আসছে।শুভেন্দু স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই তদন্ত শুধু প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা নির্ধারণেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; প্রয়োজন হলে তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর এই ঘোষণার পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। বিরোধীরা একে ন্যায়বিচারের পথে বড় পদক্ষেপ বলে দাবি করলেও, শাসকদলের একাংশ এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলেই কটাক্ষ করেছে।আরজি কর কাণ্ডে নতুন করে তদন্তের দরজা খোলায় ফের সামনে আসছে সেই ভয়াবহ রাতের বহু অমীমাংসিত প্রশ্ন। এবার প্রশাসনিক পদক্ষেপ কতদূর গড়ায়, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা রাজ্য।

মে ১৫, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহে দু’দিন বাড়ি থেকে কাজ! মোদীর নির্দেশে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের

জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল দিল্লি সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পরামর্শ মেনে এবার সপ্তাহে দুদিন সরকারি কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হল। বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা।শুধু ওয়ার্ক ফ্রম হোম নয়, জ্বালানি বাঁচাতে আরও একাধিক পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে দিল্লি সরকার। সরকারি দফতরের অন্তত ৫০ শতাংশ বৈঠক এবার অনলাইনে করা হবে। পাশাপাশি যানজট কমাতে ও জ্বালানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারি অফিসের সময়েও বদল আনা হবে।সরকারের লক্ষ্য শুধু সরকারি কর্মীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ মানুষকেও এই উদ্যোগে সামিল করতে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।এর আগে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জানিয়েছিলেন, সরকারি কাজে যতটা সম্ভব কম গাড়ি ব্যবহার করতে হবে। মন্ত্রী, বিধায়ক, জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মীদেরও অপ্রয়োজনীয় গাড়ির ব্যবহার কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তার বদলে কারপুলিং এবং গণপরিবহণ ব্যবহারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।দিল্লি সরকার সরকারি কাজে ব্যবহৃত গাড়িগুলির জ্বালানির বরাদ্দও কমিয়ে দিয়েছে। অফিসারদের জন্য বরাদ্দ পেট্রোল ২০ শতাংশ কমানো হয়েছে। এখন থেকে মাসে ২০০ লিটার জ্বালানি বরাদ্দ করা হবে।গণপরিবহণ ব্যবহারে উৎসাহ দিতে দিল্লিতে পালন করা হবে মেট্রো দিবস। সাধারণ মানুষকে সপ্তাহে অন্তত একদিন গাড়িবিহীন দিবস পালন করার আবেদন জানানো হয়েছে। এছাড়া পাবলিক ট্রান্সপোর্ট আরও সহজ করতে ২৯টি সরকারি আবাসন এলাকা থেকে ৫৮টি বিশেষ বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।দিল্লি সরকার আরও জানিয়েছে, আগামী ছয় মাস নতুন কোনও সরকারি গাড়ি কেনা হবে না। জ্বালানি সাশ্রয় এবং দূষণ কমানোর লক্ষ্যেই এই একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের দাবি।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

প্রথম ক্যাবিনেটেই বড় ঘোষণা শুভেন্দুর! নিহত ৩২১ বিজেপি কর্মীর পরিবারের পাশে রাজ্য সরকার

নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর একাধিক বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজনৈতিক হিংসায় নিহত বিজেপি কর্মীদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছে নতুন সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, নিহত ৩২১ জন বিজেপি কর্মীর পরিবারের দায়িত্ব নেবে রাজ্য সরকার। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধাও জানানো হয়েছে।প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকের পর শুভেন্দু বলেন, দীর্ঘদিন পর বাংলায় ভয়মুক্ত ও অবাধ নির্বাচন হয়েছে। ভোটকর্মী, গণনাকর্মী, রাজ্য পুলিশ, কলকাতা পুলিশ এবং নির্বাচনে অংশ নেওয়া সমস্ত রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের তিনি ধন্যবাদ জানান। তিনি আরও বলেন, ডবল ইঞ্জিন সরকার দলমত নির্বিশেষে সকলের জন্য কাজ করবে।এদিনের বৈঠকে মোট ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। নিহত বিজেপি কর্মীদের পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যে সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের কাজের জন্য বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করা হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।এছাড়া কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্পের সঙ্গে এবার যুক্ত হচ্ছে রাজ্য সরকার। বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও, বিশ্বকর্মা যোজনা এবং আয়ুষ্মান ভারত-এর মতো প্রকল্প বাংলায় চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে নতুন সরকার। এতদিন রাজ্যের আইএএস ও আইপিএস অফিসাররা কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারতেন না বলে অভিযোগ ছিল। এবার থেকে তাঁরা সেই সুযোগ পাবেন বলে জানানো হয়েছে।সবচেয়ে বড় ঘোষণাগুলির মধ্যে রয়েছে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা চালুর সিদ্ধান্ত। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এতদিন বাংলায় অসাংবিধানিকভাবে আইপিসি চালু ছিল। আজ থেকেই রাজ্যে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা কার্যকর করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্যও বড় স্বস্তির খবর দিয়েছে সরকার। চাকরিতে আবেদন করার বয়সসীমার ঊর্ধ্বসীমা পাঁচ বছর বাড়ানো হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, পূর্বতন সরকার রাজ্যের অনেক ক্ষতি করে গিয়েছে। তবে কোনও চালু সামাজিক প্রকল্প বন্ধ করা হবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি। আগামী সপ্তাহ থেকে দিলীপ ঘোষ এবং অগ্নিমিত্রা পল সাংবাদিক বৈঠক করবেন বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

মে ১১, ২০২৬
কলকাতা

রাজ্য়ের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু! সঙ্গে ছিলেন আরও পাঁচ মন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। শুক্রবার নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকে তাঁকেই পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়ায় শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শুভেন্দু।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতেই বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকেই সর্বসম্মতিক্রমে শুভেন্দু অধিকারীর নাম চূড়ান্ত করা হয়। বিজেপি সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দু ছাড়া দ্বিতীয় কোনও নাম প্রস্তাবই করা হয়নি। যদিও বিধায়কদের অন্য নাম প্রস্তাব করার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান অমিত শাহ।শুভেন্দুর নাম ঘোষণা হওয়ার পর তাঁকে পদ্মফুল তুলে সংবর্ধনা দেন অমিত শাহ। বৈঠকে উপস্থিত বিজেপি বিধায়কদের মধ্যেও তখন উচ্ছ্বাস দেখা যায়।২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে রাজনৈতিক চমক তৈরি করেছিলেন তিনি। যদিও সেই সময় রাজ্যে সরকার গড়তে পারেনি বিজেপি।তবে এবারের নির্বাচনে আবারও বড় জয় পান শুভেন্দু। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন তিনি। এরপর থেকেই বিজেপির অন্দরে মুখ্যমন্ত্রী পদে তাঁর নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল।রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপির এই ঐতিহাসিক জয়ের পিছনে শুভেন্দুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দীর্ঘদিন রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং সংগঠনের উপর দখলও তাঁর পক্ষে গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নামেই সিলমোহর দিল বিজেপি নেতৃত্ব।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

‘আমি’ নয়, ‘আমরা’ বলেই শুরু শুভেন্দুর, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগেই দিলেন বড় বার্তা

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম চূড়ান্ত করল বিজেপি। শুক্রবার বিজেপির ২০৭ জন জয়ী বিধায়কের সঙ্গে বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শুভেন্দুকেই বিধানসভার পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেন। আর পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়ায় শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী।শপথ গ্রহণের আগেই নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন হলে বিজেপি বিধায়কদের বৈঠকে বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু। সেখানে তাঁর বক্তব্যে বারবার উঠে আসে আমরা শব্দটি। দায়িত্ব নেওয়ার আগেই তিনি স্পষ্ট করেন, এই জয় শুধু তাঁর একার নয়, গোটা বিজেপি সংগঠনের। দলের জন্য যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন, তাঁদের সকলকেই এই জয়ের কৃতিত্ব দেন শুভেন্দু।বক্তৃতায় তিনি অমিত শাহ, শমীক ভট্টাচার্য এবং বিজেপির আদর্শের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিত্বদের কথাও উল্লেখ করেন। শুভেন্দুর দাবি, নির্বাচনের আগে যে সংকল্পপত্র প্রকাশ করা হয়েছিল, তার প্রতিটি প্রতিশ্রুতি সময়ের মধ্যে পূরণ করার চেষ্টা করবে নতুন সরকার। তাঁর কথায়, আমাদের মন্ত্র সবকা সাথ, সবকা বিকাশ।রাজনৈতিক মহলে অনেকদিন ধরেই জল্পনা চলছিল, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুই সবচেয়ে এগিয়ে। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই তাঁকে সবচেয়ে শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে দেখা হচ্ছিল। বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরপর দুবার পরাজিত করার রাজনৈতিক কৃতিত্বও এদিন শুভেন্দুর ঝুলিতেই তুলে দেন অমিত শাহ।মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগেই প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়েও বড় ইঙ্গিত দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি জানিয়েছেন, বাংলায় প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে দিয়ে কমিশন গঠন করা হবে। সরকারি অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ উঠলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন তিনি। পাশাপাশি সন্দেশখালি এবং আরজি কর কাণ্ডের তদন্তেও কমিশন বসানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন শুভেন্দু।শনিবারের শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-সহ বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা। বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে শুভেন্দুর শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে।

মে ০৮, ২০২৬
রাজ্য

সব জল্পনার অবসান! বাংলার প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। শুক্রবার বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শুভেন্দুর নাম পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেন। স্বাভাবিকভাবেই পরিষদীয় দলনেতাই মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন শুভেন্দু অধিকারী।পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য পর্যবেক্ষক হিসেবে কলকাতায় এসেছিলেন অমিত শাহ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝিও। বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকের পরই শুভেন্দুর নাম চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠকের আগে মুখ্যমন্ত্রী কে হচ্ছেন, তা নিয়ে দলের কোনও নেতা বা বিধায়ক মুখ খোলেননি। ফলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়ে গিয়েছিল।যদিও শুরু থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর নামই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল। রাজনৈতিক মহলের মতে, এবারের নির্বাচনে বিজেপির সাফল্যের পিছনে বড় ভূমিকা ছিল শুভেন্দুর। বিশেষ করে ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর জয়কে বিজেপির বড় রাজনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতাও তাঁর পক্ষে গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।শুভেন্দুর নাম ঘোষণা করে অমিত শাহ বলেন, বিজেপি বিধায়কদের তরফে আটটি প্রস্তাব জমা পড়েছিল এবং প্রতিটি প্রস্তাবেই পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ছিল। দ্বিতীয় কোনও নাম প্রস্তাব করার জন্য সময় দেওয়া হলেও কেউ অন্য কোনও নাম দেননি। এরপরই শুভেন্দুর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।শনিবার সকাল ১০টায় ব্রিগেড ময়দানে হবে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। সেখানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি, ধর্মেন্দ্র প্রধান-সহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা। এছাড়াও দেশের ২০টি রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের মুখ্যমন্ত্রীরাও অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে শুভেন্দুর শান্তিকুঞ্জের বাড়িতেও নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে। বাংলার রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে শনিবারের শপথ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।

মে ০৮, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে জনস্রোত! বড় প্রতিশ্রুতি দিয়ে নজর কাড়লেন শুভেন্দু

নন্দীগ্রামে জনসমাগমে ভেসে গেল সভাস্থল। শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন কর্মী-সমর্থকেরা। তাঁর নামে জয়ধ্বনি উঠল চারদিকে। এলাকার মানুষও নতুন আশায় বুক বাঁধছেন।এই সভা থেকেই ক্ষমতায় এলে কী কী কাজ করা হবে, তা স্পষ্ট করে জানালেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, দলের ঘোষিত সংকল্পপত্র সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। রাজ্যের সীমান্ত আরও সুরক্ষিত করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।নারীদের নিরাপত্তা নিয়েও বিশেষ জোর দেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, মহিলারা যখন খুশি বাড়ির বাইরে বেরোতে পারবেন, রাতেও বেরোতে ভয় পাবেন না। আগের মতো কোনও বাধা বা ভয় থাকবে না বলেও দাবি করেন তিনি।শুভেন্দু আরও জানান, সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে। চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা নিশ্চিত করার কথা বলেন তিনি। যতদিন না স্থায়ী কর্মসংস্থান হচ্ছে, ততদিন উপযুক্ত ভাতা দেওয়ার আশ্বাসও দেন।তিনি বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যেই রাজ্যের মানুষ প্রকৃত পরিবর্তন দেখতে পাবেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতিশ্রুতি সময়মতো পূরণ করা হবে বলেও জানান।দল আগেই জানিয়েছে, অনুপ্রবেশমুক্ত বাংলা গড়া, সরকারি নিয়োগে স্বচ্ছতা আনা এবং তোলাবাজি বন্ধ করা তাদের প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি শুভেন্দু কর্মী-সমর্থকদেরও সতর্ক করে দেন, কেউ যেন কোনও প্ররোচনায় পা না দেন এবং আইন নিজের হাতে তুলে না নেন।

মে ০৬, ২০২৬

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

নির্বাচন-পরবর্তী অশান্তি নিয়ে সরব প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, অভিষেক-কল্যাণের ওপর হামলায় বিজেপিকে নিশানা

নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে হামলা, গ্রেফতারি এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগকে সামনে এনে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় বিরোধী কণ্ঠরোধের চেষ্টা এবং রাজনৈতিক হিংসার নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে, যার পিছনে বিজেপির ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গত কয়েক দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের উপর একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। তার পরদিনই লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের চিফ হুইপ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আক্রমণের ঘটনা সামনে আসে। এই ধারাবাহিক ঘটনাগুলিকে তিনি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখতে নারাজ। তাঁর মতে, বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা চলছে।আক্রান্ত সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর তিনি জানান, দলের পক্ষ থেকে আক্রান্ত নেতার পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাই যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কতটা সুনিশ্চিত, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বাংলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকে উসকে দিয়ে বিজেপি স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষের নামে নিজেদের কর্মী-সমর্থকদের মাঠে নামাচ্ছে। তাঁর দাবি, গণতান্ত্রিক বিরোধিতাকে দমন করতে রাজনৈতিক হিংসাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি এও প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নীরবতা বা প্রশ্রয় ছাড়া এ ধরনের ঘটনা এত ঘনঘন ঘটতে পারে কি না।সামাজিক মাধ্যমের ওই পোস্টে বাংলার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাংলা বরাবরই সৌজন্য, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক চর্চার পীঠস্থান হিসেবে পরিচিত। সেই বাংলার রাজনৈতিক পরিসরে হিংসা, ভয় দেখানো বা গুন্ডামির কোনও স্থান নেই। তাই এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি দুই ক্ষেত্রেই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত। শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হিংসা ও সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলছে। সেই আবহেই তাঁর এই বার্তা নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের সফরে ‘নীরব’ সোনারপুরের তৃণমূল! হামলা ঘিরে সামনে এল দলের অন্দরেই অস্বস্তির ইঙ্গিত

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক কর্মসূচি এক সময় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে ছিল মর্যাদা ও গুরুত্বের বিষয়। তাঁর জেলা সফর মানেই নেতাদের ব্যস্ততা, মঞ্চে নেতার সাথে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ছিল প্রতিযোগিতা। কিন্তু শনিবার সোনারপুরের ঘটনাপ্রবাহ যেন সম্পূর্ণ উল্টো ছবি তুলে ধরল।ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহত এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে সোনারপুরে গিয়েছিলেন তৃণমূল দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাঁর এই কর্মসূচিতে স্থানীয় তৃণমূলের প্রথম সারির অধিকাংশ নেতা-কাউন্সিলরের অনুপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। যে এলাকায় অভিষেকের উপর বিক্ষোভ ও হামলার অভিযোগ উঠেছে, সেটি রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত। অথচ সেই ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতাদের কাউকেই কার্যত দেখা যায়নি ঘটনাস্থলের আশপাশে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, অভিষেকের সফরের আগে থেকেই সম্ভাব্য বিক্ষোভের আশঙ্কার কথা স্থানীয় নেতৃত্ব জানিয়েছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছিল। তবে সেই সতর্কবার্তা সত্ত্বেও কর্মসূচি বাতিল হয়নি। ফলস্বরূপ, নিহত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভ, স্লোগান এবং হামলার মুখে পড়তে হয় অভিষেককে।রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার অধিকাংশ কাউন্সিলর তৃণমূলের হলেও তাঁদের কাউকেই সামনে দেখা যায়নি। দলের একাধিক জনপ্রতিনিধি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এলাকায় এমন এক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল যে অনেকেই প্রকাশ্যে বেরোতে সাহস পাননি। অন্যদিকে, পুরসভার চেয়ারম্যানের ডাকা বৈঠকও শেষ মুহূর্তে হয়নি বলে খবর, যা ঘটনাকে ঘিরে আরও জল্পনা বাড়িয়েছে।সোনারপুর উত্তরের প্রাক্তন বিধায়ক ও তৃণমূল নেত্রী ফিরদৌসি বেগমও জানিয়েছেন, তিনি অভিষেকের সঙ্গে যেতে চাইলেও তাঁর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় বেরোতে পারেননি। ফলে অভিষেকের পাশে স্থানীয় নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এদিকে হামলায় ধৃত কয়েক জনের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিজেপির দাবি, গ্রেফতার হওয়া কয়েক জনকে অতীতে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক লাভলি মৈত্রের ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় দেখা যেত। যদিও লাভলি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, ধৃতরা তৃণমূলের কেউ নন, বরং বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। এ বিষয়ে তিনি পুলিশ প্রশাসন ও দলীয় নেতৃত্বকেও তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, হামলার ঘটনার পাশাপাশি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অনুপস্থিতি দলীয় সংগঠনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো শীর্ষ নেতার কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতৃত্বের এই দূরত্ব নিছক কাকতালীয়, নাকি এর পিছনে রয়েছে বৃহত্তর রাজনৈতিক অস্বস্তি সেই জল্পনাই এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

বন্ধ ফ্ল্যাটে দু’টি দেহ, পাশে নেশাগ্রস্ত তিন বন্ধু! গল্ফ গ্রিন কাণ্ডে চাঞ্চল্য

দক্ষিণ কলকাতার গল্ফ গ্রিন এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে এক যুবক ও এক যুবতীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার দুপুরে অরবিন্দ নগরের একটি আবাসনের ফ্ল্যাট থেকে ওই দুই জনের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম দিলশাদ। তাঁর বয়স প্রায় ছাব্বিশ বছর। মৃত যুবতীর বয়স একুশ বছর। দুজন ওই ফ্ল্যাটে একসঙ্গে থাকতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, দেহ দুটিতে পচন ধরেছিল। ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকজাতীয় সামগ্রীও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শনিবার বিকেল থেকেই ওই আবাসনের আশপাশে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। প্রথমে কেউ বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও রবিবার সকালে দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে শুরু করেন এলাকাবাসীরা। তখন সন্দেহ হয় একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটকে ঘিরে। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে এবং সেখান থেকেই উদ্ধার হয় যুবক ও যুবতীর দেহ।তদন্তে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন যুবক ও যুবতী। যুবকের বাড়ি তিলজলায় এবং যুবতীর বাড়ি রামগড় এলাকায় বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা একসঙ্গে থাকতেন বলে প্রতিবেশীদের দাবি।পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, ঘটনার সময় ফ্ল্যাটে আরও দুই যুবক ও এক যুবতী উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই তিন জনকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।এক প্রবীণ স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, ওই ফ্ল্যাটে থাকা যুবক-যুবতী নিয়মিত নেশা করতেন বলে এলাকায় পরিচিত ছিল। তিনি জানান, ঘটনার রাতে ফ্ল্যাটে আরও কয়েক জনের উপস্থিতির কথা স্থানীয়রা জানতে পেরেছিলেন। পরে পুলিশ এসে তাঁদের নিয়ে যায়।দুই তরুণ-তরুণীর মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে মনে করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। একই সঙ্গে ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া মাদকজাতীয় সামগ্রীর উৎস এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গল্ফ গ্রিনের এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রহস্যমৃত্যু, মাদক এবং ফ্ল্যাটে উপস্থিত অন্য তিন জনকে ঘিরে একাধিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

এবার মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশ! হঠাৎ তল্লাশিতে জোর চাঞ্চল্য

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক তদন্ত এবং গ্রেপ্তারির ঘটনার মধ্যেই এবার কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে পৌঁছল পুলিশ। রবিবার দুপুরে তাঁর কামারহাটির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক জল্পনা।পুলিশ সূত্রের খবর, বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। যে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়, সেটি প্রথমে তালাবন্ধ ছিল। পরে পুলিশ সেখানে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করে।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, কামারহাটির ওই বাড়ির নাম উদয় ভিলা। সেখানে মদন মিত্রের একটি দলীয় কার্যালয়ও রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, যে জমির উপর বাড়িটি নির্মিত হয়েছে, সেই জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।অভিযোগ উঠেছে, জমিটি কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সংস্থার অধীন। অতীতে সেখানে মহিলাদের স্বনির্ভর করার বিভিন্ন প্রশিক্ষণমূলক কাজ পরিচালিত হতো। তবে স্থানীয় স্তরে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল, ওই জায়গার ব্যবহার এবং দখল নিয়ে নানা অনিয়ম হয়েছে।তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, জমিটি আইন মেনে ব্যবহার করা হয়েছে কি না এবং সেখানে কোনও বেআইনি কার্যকলাপ চলত কি না। এই অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করতেই পুলিশের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে রাজ্যে সম্প্রতি বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক তৃণমূল নেতা ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিধায়কদের স্বাক্ষর সংক্রান্ত মামলাতেও তদন্ত এগোচ্ছে। সেই আবহেই মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশের এই অভিযান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।যদিও এই বিষয়ে মদন মিত্রের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনায় আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক ইস্যুতে বিক্ষোভ, তারপরই বড় পদক্ষেপ! গ্রেপ্তার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হলেন চুঁচুড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার-সহ ১০ জন। পুলিশকে বাধা দেওয়া এবং কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির অভিযোগে রবিবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার হুগলির পিপুলপাতি এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল তৃণমূল। সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার অভিযোগের প্রতিবাদেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। অবরোধের জেরে এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হতে শুরু করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামেন।অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বচসা শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। এরপর পুলিশ অবরোধকারীদের সরিয়ে দেয়।এই ঘটনার পর তদন্তে নেমে রবিবার সকালে অসিত মজুমদার-সহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে চুঁচুড়া থানার পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ, ভাইস চেয়ারম্যান পার্থ সাহা, কাউন্সিলার রঞ্জন রাহা, নির্মল চক্রবর্তী, সমীর সরকার-সহ আরও কয়েক জন তৃণমূল নেতা ও কর্মী।পুলিশের দাবি, সরকারি কাজে বাধা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার অভিযোগেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর ধৃতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। এরপর তাঁদের আদালতে পেশ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে যাওয়ার পথে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষোভের মুখে পড়েন। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কর্মসূচি শুরু করে তৃণমূল। হুগলির পিপুলপাতির বিক্ষোভও ছিল সেই কর্মসূচিরই অংশ।এই গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে জেলাজুড়ে। বিরোধী ও শাসক শিবিরের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে বড় মোড়! প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, শুরু জোর রাজনৈতিক চর্চা

যুবভারতীতে মেসির সফর ঘিরে বিতর্কের ঘটনায় নতুন মোড় এল। আয়োজক শতদ্রু দত্তের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করেছে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শতদ্রু। তিনি লিখেছেন, সত্যের জয়। পাশাপাশি বর্তমান প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে এই মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে প্রতারণা, ভয় দেখানো, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং একাধিক ব্যক্তির যৌথভাবে অপরাধমূলক কাজের পরিকল্পনার মতো বিষয়।ঘটনার সূত্রপাত গত বছরের ডিসেম্বর মাসে। আন্তর্জাতিক ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ এবং রদ্রিগো দে পল কলকাতায় এসেছিলেন একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে। যুবভারতীতে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠান ঘিরে বিপুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল। দর্শকদের মধ্যে টিকিটের চাহিদা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে কালোবাজারির অভিযোগও সামনে আসে।তবে অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। দর্শকদের একাংশ গ্যালারি থেকে মাঠে নেমে পড়েন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দেশের অন্য শহরগুলিতে অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হলেও কলকাতার অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই সময় আয়োজক শতদ্রু দত্তও আইনি সমস্যার মুখে পড়েছিলেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে মুখ খুলেছেন শতদ্রু দত্ত। তাঁর অভিযোগ, তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী তাঁর কাছে বিপুল সংখ্যক টিকিট ও প্রবেশপত্র চেয়েছিলেন। তিনি আরও দাবি করেছেন, টিকিট দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানানো হলে তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। এছাড়া অনুষ্ঠানের দিন একাধিক অনিয়ম এবং বিশৃঙ্খলার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।শতদ্রুর আরও দাবি, অনুষ্ঠান শুরুর আগেই সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সতর্কবার্তার যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তাঁর অভিযোগ, প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তাঁকেই দায়ী করা হয়েছিল।এদিকে এই মামলাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে সকলের। অভিযোগগুলির সত্যতা প্রমাণিত হবে কি না, তা নির্ভর করছে তদন্তের ফলাফলের উপর। তবে মামলা নথিভুক্ত হওয়ার পর যুবভারতীর সেই বহুচর্চিত মেসি-কাণ্ড আবারও রাজ্যের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের পর কল্যাণ! পরপর হামলায় বিস্ফোরক মমতা, বিজেপিকে বললেন ‘গণতন্ত্র হত্যাকারী’

পরপর দুদিনে দুই তৃণমূল সাংসদের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে বিক্ষোভ ও হেনস্তার ঘটনার পর রবিবার হুগলির চণ্ডীতলায় আক্রান্ত হন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই দুই ঘটনার পর সরাসরি বিজেপিকে দায়ী করে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, তৃণমূলের দুই গুরুত্বপূর্ণ সাংসদের উপর ধারাবাহিক হামলার ঘটনাগুলি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তাঁর অভিযোগ, এর পিছনে পরিকল্পিত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বিজেপিকে গণতন্ত্র হত্যাকারী বলেও কটাক্ষ করেছেন।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং লোকসভায় দলের অন্যতম প্রধান মুখ। অন্যদিকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের দায়িত্বে রয়েছেন। এই দুই নেতার উপর পরপর হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই তুলে ধরেছেন মমতা।শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর পোশাক ও ব্যক্তিগত সামগ্রীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর রবিবার চণ্ডীতলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরও হামলার অভিযোগ ওঠে। তাঁর দিকে ঢিল ছোড়া হয় এবং চোর স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।এই ঘটনাগুলির পর তৃণমূল কংগ্রেসও সামাজিক মাধ্যমে একাধিক ভিডিও প্রকাশ করে। দলের দাবি, ঘটনাগুলি পূর্বপরিকল্পিত এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।এদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে হাসপাতাল-সংক্রান্ত বিতর্কও নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। সোনারপুরের ঘটনার পর তাঁকে শহরের একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকরা প্রাথমিক পরীক্ষার পর ভর্তি করার প্রয়োজন দেখেননি। এই বিষয়েও বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নিয়ে একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তা সত্ত্বেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।পরপর দুই সাংসদের উপর হামলার অভিযোগ, হাসপাতাল বিতর্ক এবং পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক আক্রমণকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে ভর্তি না নেওয়া নিয়ে বিতর্ক! ভাইরাল অডিও ঘিরে নতুন রাজনৈতিক ঝড়

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার পর এবার নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতাল। একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তবে ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।শনিবার সোনারপুরের ঘটনায় উত্তেজনার মধ্যে কলকাতায় ফিরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষার পর জানানো হয়, তাঁর শরীরে গুরুতর কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই।এরপর তাঁকে শহরের আরও একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও চিকিৎসকরা একই মত দেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ ছিল, বাড়িতেই পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা করা সম্ভব।এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে একটি অডিও ছড়িয়ে পড়ে। দাবি করা হচ্ছে, সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালের শীর্ষ কর্তার মধ্যে কথোপকথন শোনা যাচ্ছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়।এই অডিও প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী শিবিরের তরফে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিকিৎসা নিয়ে অযথা রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। দলের একাংশের অভিযোগ, কিছু মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টিকে অন্য দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে নিহত এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর চশমা, ঘড়ি এবং পোশাকও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে নিরাপত্তারক্ষী ও পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।ঘটনার পর থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে নজর রাখছেন চিকিৎসকরা। একই সঙ্গে ভাইরাল অডিও এবং হাসপাতালকে ঘিরে ওঠা বিতর্ক নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। ফলে সোনারপুর কাণ্ডের রেশ এখন রাজনীতির পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়েও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

মে ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal